গভীর জলের হা করা বোয়াল

আমার ভাবনায়: গভীর জলে ছোট ছোট প্রাণী বাঁচা কষ্ট সাধ্য তাই ছোট জাতের মাছের আনাগোনা এই জলে কম দেখা যায়। বোয়াল মাছের মূল খাবার মাছ (ছোট জাতের), গভীর জলে এই বোয়াল জাতীয় বড় মাছদের দেখা যায়। তাই এদের খাদ্য সংকট একটু বেশি থাকে। এই অঞ্চলে থাকাকালীন তারা একপ্রকার হা করেই থাকে সবসময় খাদ্যের সন্ধানে। বুঝতেই পারছেন আশা করি কি বলতে চাচ্ছি।

এই বার আসেন লাইনে। একটা মেয়ে খুব ভাল মানে প্রেম পিরিতির ধারের কাছে নাই। কিন্তু মনে মনে প্রেম চাইনা এমন মেয়ে পাওয়া যাবে কিনা প্রশ্ন স্বাপেক্ষ। তার পরেই আমি ধরে নিচ্ছি সবই মেয়েই মনে মনে চায় প্রেম করতে বা প্রেমের সুবিধা গুলো উপভোগ করতে। এদের মাঝে আবার দুই ভাগ আছে যাদের লজ্জা শরম একটু কম মানে পাবলিককে থোরাই কেয়ার করে। এরা হচ্ছে কম জলের মাঝে এদের খাবার অনেক মানের প্রেমের যোগানদার ছেলের সংখ্যা অনেক। এই কম জলের মেয়েরা মন চাইলেই খাবার প্রায় কিন্তু যারা পাবলিক বা পরিবারের ভয়ে প্রেম থেকে দূরে থাকে মানে কম জলের খাবার থেকে দূরে গভীর জলে থাকে তখন সেই জলে যদি হঠাৎ করে কোন ছোট মাছ মানে তার খাদ্য পাওয়া যায় তখন সে শুধু খাবারটা মুখে ডুকিয়ে বন্ধ করে। মুখত হা আগেই করা।

মফস্বলের একটা মেয়ে কলেজ পর্যন্ত যার রেকর্ড অনেক ভাল সে পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর গভীর জল থেকে কম জলে এসে পড়ে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে গভীর জলে থাকা অবস্থায় মুখে যে হা করা মানে ভিতরের যে প্রচন্ড তাগিদ তা এক বারে শেষ করতে পারে নাই। ফলে যা ঘটার তাই ঘটে কোন খাদ্য মাছ তার মুখের সামনে একবার আসলেই হলো সে সব কিছুই দিয়েই চেষ্টা করে তাকে খাবার। এরাই আমার মতে গভীর জলের হা করা বোয়াল।

[বিঃদ্রঃ যার গভীর জলের হা করা বোয়াল শব্দটা প্রথম শোনলেন তাদের কে বলছি এই শব্দটা আমার তৈরি না, শোনা অন্যের কাছ থেকে।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *